আক্বীদাহ

প্রশ্ন: যখন তোমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, গাইরুল্লাহ এর নামে কসম করার হুকুম কী?

 

উত্তর: বল, গাইরুল্লাহ এর নামে কসম করা বৈধ নয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে কসম করতে চায় সে যেন আল্লাহর কসম করে অথবা চুপ থাকে”। (সহীহ বুখারী) তিনি গায়রুল্লাহ এর নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। যেমন তার বাণীতে এসেছে, “তোমরা তোমাদের পূর্ব-পুরুষ ও তাগুতদের কসম করো না”। (সহীহ মুসলিম) الطواغي শব্দটি طاغوت এর বহুবচন। নবী সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম এটাকে শির্কের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যেমন তিনি বলেছেন, “যে গায়রুল্লাহের নামে কসম করল সে কুফরি করল অথবা শির্ক করল”। তিনি আরো বলেছেন, “যে আমানতের কসম করল সে আমাদের দল ভুক্ত নয়”। হাদীসটি ইমাম আহমদ, ইবনে হিব্বান ও হাকিম সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।

অতএব মুসলিমগণের উচিত নবী অথবা অলী অথবা সম্মান অথবা আমানত অথবা কা‘বা এবং অন্যান্য মাখলুকের কসম করা থেকে বিরত থাকা।

 

সূত্র: ইসলামহাউজ.কম।

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

হাবিব বিন তোফাজ্জল

❝আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনাে সত্য ইলাহ নেই , এবং মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বান্দা ও রাসূল।❞ আমি একজন তালিবুল ইলম ও ফ্রিল্যান্সার। আমি নিজেকে ভুলের উর্ধে মনে করি না এবং আমিই হ্বক বাকি সবাই বাতিল তেমনটাও মনে করিনা। অতএব, ভুলত্রুটি হলে নাসীহা প্রদানের জন্যে অনুরোধ রইল। ― আমাদের পূর্বের সালাফেরা যেসকল বিষয়ে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি করেছেন সেসকল বিষয়ে আমি তাদের অনুসরণকারী।

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button