প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাতসালাত / নামায

তাহিয়্যাতুল ওযূর এ সালাতের ফযীলত কি?

(১) নবী (স) একদিন ফজরের সালাতের সময় বেলাল (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে বেলাল! ইসলাম গ্রহণের পর তুমি এমনকি আমল কর যা সর্বাধিক সন্তোষজনক? কেননা, আমাকে যখন (মিরাজের রাতে) জান্নাত দেখানো হলো তখন আমি সেখানে তোমার জুতা পায়ে দিয়ে হাঁটার আওয়াজ পেয়েছি। দিনে-রাতে তুমি এমন কি আমল কর (যা তোমাকে জান্নাতে যাওয়ার ব্যাপারে অধিকতর আশ্বস্ত করে?) উত্তরে বেলাল (রা) বললেন, রাতে বা দিনে যখনই আমি পবিত্রতা অর্জন (অর্থাৎ ওযু বা গোসল) করি তখনই দুই রাকআত (তাহিয়্যাতুল ওযূর) সালাত আদায় করি।(বুখারী: ১১৪৯)

(২) নবী (স) আরো বলেন, যে ব্যক্তি আমার মতো করে ওযু করে দু’রাকআত সালাত আদায় করবে, মনে অন্য কোন চিন্তা আনবে না, আল্লাহ তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। (বুখারী: ১৬৪)।

(৩) যেকোন মুসলিম সুন্দর করে ওযু করে অন্তর ও চেহারা পূর্ণ মনোনিবেশ করে দু’রাকআত (তাহিয়্যাতুল ওযূর) সালাত আদায় করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।(মুসলিম, সলাতুল মুমিন পৃ. ১/৩৮৬)

সূত্র: প্রশ্নোত্তরে ফিকহুল ইবাদাত
লেখক: অধ্যাপক মোঃ নূরুল ইসলাম

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

হাবিব বিন তোফাজ্জল

❝আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনাে সত্য ইলাহ নেই , এবং মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বান্দা ও রাসূল।❞ আমি একজন তালিবুল ইলম ও ফ্রিল্যান্সার। আমি নিজেকে ভুলের উর্ধে মনে করি না এবং আমিই হ্বক বাকি সবাই বাতিল তেমনটাও মনে করিনা। অতএব, ভুলত্রুটি হলে নাসীহা প্রদানের জন্যে অনুরোধ রইল। ― আমাদের পূর্বের সালাফেরা যেসকল বিষয়ে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি করেছেন সেসকল বিষয়ে আমি তাদের অনুসরণকারী।

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button