অন্যান্য

বিপজ্জনক শব্দের মাধ্যমে কৌতুক করা

প্রশ্ন: কোনো এক তরুণী আল-কুরআনের ‘আমপারা মুখস্থ করার কারণে পুরস্কার লাভ করল এবং তার এক দল বান্ধবীর নিকট গিয়ে হাযির হল; অতঃপর তাদের একজন তাকে বলল: তুমি কি পুরস্কার লাভ করেছ? তখন সে বলল: দেখানোর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং অচিরেই তা ত্যাগ করব; অতএব এই ধরনের কথার হুকুম (বিধান) কী হবে? আর তার উপর কোন বিধান প্রযোজ্য হবে, যে ব্যক্তি অনিচ্ছা সত্ত্বেও রসিকতা করে এই কথা বলেছে? জেনে রাখা প্রয়োজন, সে হলে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের একজন ছাত্রী …?

উত্তর: আলহামদু লিল্লাহ।

এই কথা খুবই বিপজ্জনক, কোনো মানুষের জন্য কৌতুক করেও তা উচ্চারণ করা বৈধ নয়; কারণ, এমন কথার মাধ্যমে রসিকতা করা বৈধ নয়। আর যে এমন কথা বলেছে, তার উপর আবশ্যক হল, সে আল্লাহর নিকট তাওবা করবে, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং কখনও এই ধরনের নোংরা কথার পুনরাবৃত্তি করবে না; কারণ, হাদিসের মধ্যে এসেছে; নবী (ﷺ) বলেছেন:

«إن الرجل ليتكلم بالكلمة من سخط الله لا يلقى لها بالا يهوي بها في النار أبعد مما بين المشرق والمغرب».

“নিশ্চয় ব্যক্তি আল্লাহর অসন্তুষ্টির কোন কথা বলে ফেলে যার পরিণতি সম্পর্কে সে সচেতন নয়, অথচ সেই কথার কারণে সে জাহান্নামে এত নীচে পতিত হবে যার দূরত্ব পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যকার দূরত্বের চেয়ে অনেক বেশি।”

আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা মুনাফিকদের ওযর গ্রহণ করেননি, যখন তারা অনর্থক কথাবার্তা উচ্চারণ করেছে এবং বলেছে,

﴿إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلۡعَبُۚ ﴾ [التوبة: ٦٥]

“আমরা তো আলাপ-আলোচনা ও খেল-তামাশা করছিলাম।” -(আত-তাওবা: ৬৫)।

সূত্রঃ শাইখ আল-ফাওযান; ফতোয়া (فتاوى): ১ / ৬৮

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

Mahmud Ibn Shahid Ullah

"যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন মুসলিম, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?" আমি একজন তালিবুল ইলম। আমি নিজেকে ভুলের উর্ধ্বে মনে করি না এবং আমিই হক্ব বাকি সবাই বাতিল এমনও ভাবিনা। অতএব, আমার দ্বারা ভুলত্রুটি হলে নাসীহা প্রদানের জন্যে অনুরোধ রইল। ❛❛যখন দেখবেন বাত্বিল আপনার উপর সন্তুষ্ট, তখন বুঝে নিবেন আপনি ক্রমের হক্ব থেকে বক্রপথে ধবিত হচ্ছেন।❞

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button