দৈনন্দিন

প্রশ্ন : আমার বিজিবিতে চাকুরী হয়েছে। আমি সীমান্ত পাহারা দিলে হাদীছে বর্ণিত ফযীলত লাভ করতে পারব কী?

 

উত্তর : অমুসলিম রাষ্ট্র বেষ্টিত মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশের সীমান্তের নিরাপত্তা বিধানে যারা জড়িত, তারা যদি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে একাজে
নিযুক্ত থাকেন, তবে তারা হাদীছে বর্ণিত সীমান্ত পাহারা দেওয়ার নেকী লাভ করবেন ইনশাআল্লাহ। তবে তাদের জন্য মৌলিক শারঈ বিধি-বিধান সমূহ মেনে চলা
আবশ্যক। সেই সাথে কোনরূপ পাপের কাজে সহযোগিতা করা চলবেনা।

রাসূল (ছাঃ) সীমান্ত প্রহরীদের ফযীলত বর্ণনা করে বলেন, আল্লাহর পথে একদিন সীমান্ত পাহারা দেওয়া দুনিয়া ও এর মধ্যকার সবকিছু থেকে উত্তম (বুখারী হা/২৮৯২; মিশকাত হা/৩৭৯১)

তিনি আরও বলেন, ‘একটি দিন ও রাত্রি আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত পাহারায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা, এক মাস দিনে ছিয়াম ও রাত্রিতে ছালাতে দন্ডায়মান থাকার
চাইতে উত্তম (মুসলিম হা/১৯১৩; মিশকাত হা/৩৭৯৩)

এছাড়াও সীমান্ত পাহারা দেওয়া এমন একটি আমল যা ছাদাক্বা জারিয়ার সমতুল্য। এর ছওয়াব সে ক্বিয়ামত পর্যন্ত পেতে থাকবে (আহমাদ হা/১৭৩৯৬; ছহীহুত তারগীব হা/১২১৮)

 

সূত্র: মাসিক আত-তাহরীক।

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

Mahmud Ibn Shahid Ullah

"যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন মুসলিম, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?" আমি একজন তালিবুল ইলম। আমি নিজেকে ভুলের উর্ধ্বে মনে করি না এবং আমিই হক্ব বাকি সবাই বাতিল এমনও ভাবিনা। অতএব, আমার দ্বারা ভুলত্রুটি হলে নাসীহা প্রদানের জন্যে অনুরোধ রইল। ❛❛যখন দেখবেন বাত্বিল আপনার উপর সন্তুষ্ট, তখন বুঝে নিবেন আপনি ক্রমের হক্ব থেকে বক্রপথে ধবিত হচ্ছেন।❞

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button