দৈনন্দিন

প্রশ্ন: বর্তমান প্রযুক্তির অধিকাংশ উপাদান অমুসলিম দেশ কর্তৃক সরবরাহ করা হয়। প্রশ্ন হল- এগুলো কি ব্যবহার করা যাবে?

উত্তর : অমুসলিম, কাফির ইহুদী-খ্রিষ্টানরা যেসমস্ত কাজ করে তা তিন ভাগে বিভক্ত। ইবাদত, অভ্যাস এবং কারিগরি ও শিল্পকলা। তন্মধ্যে ইবাদতের ক্ষেত্রে কাফেরদের অনুসরণ করা স্পষ্ট হারাম। ইবাদতের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি অমুসলিম কাফিরদের অনুসরণ করে, তার জন্য ভয়াবহ আযাব প্রস্তুত রয়েছে। এমনকি সে ইসলাম থেকে বহিস্কৃতও হতে পারে। অনুরূপভাবে পোশাক-পরিচ্ছদ, আচার-ব্যবহার, চাল-চলন কিংবা রীতিনীতির কোন ক্ষেত্রেই কাফেরদের অনুসরণ করা বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ ‘যে ব্যক্তি কোন জাতির অনুসরণ করবে, সে উক্ত জাতির অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে’ (আবূ দাঊদ, হা/৪০৩১; মিশকাত, হা/৪৩৪৭, সনদ হাসান ছহীহ)। তবে যে জিনিসে জনগণের উপকার রয়েছে তা কাফেরদের নিকট থেকে শিক্ষা করাতে কোন দোষ নেই। কারণ তা দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাছাড়া ইবাদতের ক্ষেত্রে মূলনীতি হল তাতে দলীল থাকতে হবে। আর মু‘আমালাত বা বৈষয়িক ব্যাপারে মূলনীতি হল, আল্লাহ ও রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক যেগুলা হারাম করা হয়েছে সেগুলো ব্যতীত বাকী সবই হালাল (মুওয়াত্ত্বা মালিক, হা/৯৯৫ এর টীকা দ্র.; উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ৩য় খণ্ড, পৃ. ৪০; মুহাম্মাদ ইবনু ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ, ফাতাওয়াউল ইসলাম সুওয়াল ওয়া জাওয়াব, প্রশ্ন নং-৪৩১৬০)।

 

সূত্র: মাসিক আল-ইখলাছ।

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

এছাড়াও পড়ে দেখুন
Close
Back to top button