দৈনন্দিন

প্রশ্ন: অনেক সময় শিশুদের আনন্দ দেয়ার জন্য বলা হয় ‘আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা; চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা’। এমন শব্দগুলো বললে কোন গুনাহ হবে কি?

উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে সকল সৃষ্টির উপরে মর্যাদা দিয়েছেন। তিনি আদম সন্তানকে ‘জ্ঞান’ দান করেছেন এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে এমন সব বৈশিষ্ট্য দান করেছেন, যা অন্যান্য সৃষ্ট জীবের মধ্যে নেই। অথচ অত্র ছন্দ বা কবিতায় মানবশিশুকে একটি জ্ঞানহীন ও জড় পদার্থের সাথে তুলনা করত চাঁদ বলে সম্বোধন করা হয়েছে। এ জাতীয় বাক্য বা কবিতাসমূহ মূলত সমাজে প্রচলিত কুসংস্কারের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এমন কথা বা কবিতা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাছাড়া চাঁদের এমন কোন নিজস্ব ক্ষমতা নেই যে, সে মানুষের আহ্বানে সাড়া দিবে। বরং তা আল্লাহর নির্দেশে মানুষের উপকারে নিয়োজিত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন সূর্য ও চন্দ্রকে; যারা অবিরাম একই নিয়মের অনুবর্তী এবং তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন রাত্রি ও দিবসকে’ (সূরা ইবরাহীম : ৩৩)। তিনি আরো বলেন, ‘আর চাঁদের জন্য আমরা নির্দিষ্ট করেছি বিভিন্ন মনযিল; অবশেষে সেটা শুষ্ক বাঁকা, পুরোনো খেজুর শাখার আকারে ফিরে যায় (সূরা ইয়াসিন : ৩৯-৪০)। সুতরাং যদি কেউ এমন বিশ্বাস করে যে, চাঁদের নিজস্ব ক্ষমতা আছে, তাহলে সে শিরকে পতিত হবে। আর শিরক হল সবচেয়ে বড় গুনাহ (সূরা লুক্বমান : ১৩)।

 

সূত্র: মাসিক আল-ইখলাছ।

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

হাবিব বিন তোফাজ্জল

❝আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনাে সত্য ইলাহ নেই , এবং মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বান্দা ও রাসূল।❞ আমি একজন তালিবুল ইলম ও ফ্রিল্যান্সার। আমি নিজেকে ভুলের উর্ধে মনে করি না এবং আমিই হ্বক বাকি সবাই বাতিল তেমনটাও মনে করিনা। অতএব, ভুলত্রুটি হলে নাসীহা প্রদানের জন্যে অনুরোধ রইল। ― আমাদের পূর্বের সালাফেরা যেসকল বিষয়ে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি করেছেন সেসকল বিষয়ে আমি তাদের অনুসরণকারী।

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button